
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধিঃ-
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার দেওড়া গ্রামে আধিপত্য বিস্তার কেন্দ্র করে,আফরোজ মিয়াকে পরিকল্পিতভাবে খুন করে,ঝগড়া জিতার জন্য, এই ঘটনায় দায়ের করা মামলার পর আসামিপক্ষের বাড়িঘরে ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ উঠেছে।
সরেজমিনে গিয়ে নারী–পুরুষসহ একাধিক স্থানীয় বাসিন্দার সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।
এলাকাবাসীর সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সময় আফরোজ মিয়া নিজ ঘরেই অবস্থান করছিলেন। গ্রামের দু’পক্ষের মধ্যে ঝগড়া বেঁধে গেলে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং সবাই বাড়ি ফিরে যায়। পরে রাত আনুমানিক ৮টার দিকে মসজিদের মাইকে ঘোষণা শুনে তারা জানতে পারেন, আফরোজ মিয়া খুন হয়েছেন।
গ্রামবাসীরা জানান, আফরোজ ছিলেন নিঃসন্তান ও অসহায়। তার বাড়ির পরিমাণ মাত্র দুই শতক জমি। পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে গ্রামের এক সাবেক মেম্বার বলেন, “আফরোজের কোনো ছেলে–মেয়ে নেই। ঘরে শুধু তিনি ও তার স্ত্রী থাকতেন। কে বা কারা তাকে হত্যা করেছে—তা পরিষ্কার নয়।”
এ বিষয়ে স্থানীয় কয়েকজন নারীও একই কথা জানান। তাদের ধারণা, পরিবারের সম্পত্তি বা ব্যক্তিগত স্বার্থের কারণে বাদী পক্ষই হয়তো নিজেরা হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে থাকতে পারে—তবে এসব অভিযোগের কোনো প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করছে পুলিশ।
আফরোজ হত্যাকাণ্ডে সরাইল থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে বলে জানা গেছে। মামলা হওয়ার পর থেকেই দেওড়া গ্রামে আতঙ্ক বিরাজ করছে। আসামিপক্ষের পুরুষ সদস্যরা বাড়ি ছাড়া হয়ে পড়ায় রাতের অন্ধকারে তাদের ঘরবাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটেছে বলে অভিযোগ করেছেন পরিবারগুলোর সদস্যরা।
স্থানীয়রা প্রশাসনের কাছে দ্রুত তদন্ত, প্রকৃত দোষীদের শনাক্তকরণ এবং এলাকার নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।