ভোরের পত্র

মাধবপুরে মাদক ব্যবসায়ীদের চিহ্নিত করতে বিজিবি’র ব্যতিক্রমী উদ্যোগ

  • ১৭ নভেম্বর ২০২১, ৮:৪৬ অপরাহ্ণ
  • ১৭২ বার দেখা হয়েছে

স্টাফরিপোর্টারঃ-
হবিগঞ্জের মাধবপুরে সীমান্তবর্তী কয়েকটি গ্রামে বাড়ি চিহ্নিত করতে,বাড়ির সামনে ‘মাদক ব্যবসায়ীর বাড়ি’,‘চোরাকারবারির বাড়ি’ লেখা লাল রং এর ডিজিটাল সাইনবোর্ড টানানো হচ্ছে। হঠাৎ করে এসব দেখে যে কারোর চোখ আটকে যাবে। মাধবপুর উপজেলার বহরা,চৌমুহনীসহ সীমান্তবর্তী কয়েকটি ইউনিয়নের মাদক ব্যবসায় জড়িতদের বাড়ি এভাবেই চিহ্নিত করে রাখতে দেখা যায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বিজিবি’কে।

জানা যায়, মূলত মাদক ব্যবসায়ীদের বাড়ি চিহ্নিত করতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ব্যতিক্রমী এউদ্যোগ হাতে নিয়েছে। সীমান্ত এলাকায় চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীদের বাড়ির সামনে ডিজিটাল ব্যানারের সাইনবোর্ড লাগিয়ে এ উদ্যোগ কার্যকর করছেন তারা। সোমবার সকাল থেকে হবিগঞ্জ ৫৫ ব্যাটালিয়নের মনতলা,হরিণখোলা ও রাজেন্দ্রপুর বিওপির সদস্যরা বিভিন্ন গ্রামের ১০টি বাড়িতে গিয়ে এ অভিযান কার্যক্রম পরিচালনা করে বিজিবি।

বিজিবি’র সকাল-সন্ধ্যা অভিযানে সারাদিন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীদের বাড়িতে গিয়ে সীমানা প্রাচীর,বাড়ির রাস্তায় কিংবা,দেয়ালে লাল রং এর ডিজিটাল ব্যানারের সাইনবোর্ডে ‘মাদক ব্যবসায়ীর বাড়ি’ও চোরাকারবারির বাড়ি’ লাগিয়ে দিয়েছেন। বিজিবি কর্তৃক চিহ্নিত ১০টি বাড়ি হলো: মাধবপুর উপজেলার বহরা ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর গ্রামের বলু মিয়া,রাজেন্দ্রপুর গ্রামের আহাদ মিয়া, শ্রীধরপুর গ্রামের কবির মিয়া, চৌমুহনী ইউনিয়নের রামনগর গ্রামের ধনু মিয়া, কাউছার মিয়া, জয়নাল মিয়ার ও সফু মিয়া,কমলপুর গ্রামের স্বপন মিয়া,খালেক মিয়া,জানু মিয়ার বাড়ি। এই ১০ জন মাদক ব্যবসায়ী বিভিন্ন সময়ে মাদকসহ বিজিবির হাতে ধরা পড়ে। বিজিবির এ ব্যাতিক্রমী উদ্যোগে খুশী স্থানীয় বাসিন্দারা।

বিজিবির উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, সমাজে প্রত্যেকটি অপরাধীর মুখোশ এভাবেই উন্মোচন করা দরকার। এতে করে সমাজে ঘৃণ্য ব্যক্তিদের মুখোশ খানিকটা হলেও উন্মোচিত হবে।

বিজিবি’র এ উদ্যোগের ফলে বেশ সুফল মিলবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তারা। একই সঙ্গে মাদক ব্যবসায় জড়িত প্রত্যেকের বাড়িতেই যেনো এভাবে চিহ্নিত কার্যক্রম অব্যহত থাকে স্থানীয় বাসিন্দাদের পক্ষ থেকে এ দাবি জানানো হয়।

বিজিবির পক্ষ থেকেও জানানো হয়, তাদের এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। চলতি মাসে এ উদ্যোগ নেওয়া হলেও এখন থেকে নিয়মিত এ কার্যক্রম পরিচালিত হবে। বিজিবির মনতলা কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার আবু বকর,হরিণখোলা ক্যাম্প কমান্ডার নায়েক সুবেদার সাদেক আলী এবং রাজেন্দ্রপুর ক্যাম্প কমান্ডার হাবিলদার আঃ হাফিজ এর নেতৃত্বে একার্যক্রম পরিচালিত হয়।

এ মাদকবিরোধী সচেতনামূলক অভিযানে গিয়ে বিজিবি’র পক্ষ থেকে স্থানীয় বাসিন্দাদের মাদক সম্পর্কে আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান। পাশাপাশি এসব সাইবোর্ড যেন কেউ তুলে না ফেলে বা মুছে না ফেলেন সে বিষয়েও কঠোর হুঁশিয়ারি দেয়া হয়।

এ কার্যক্রম সম্পর্কে বিজিবি হবিগঞ্জ ৫৫ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল এস এন এম সামীউন্নবী চৌধুরী জানান, বিজিবির হাতে ধরা পড়া চিহ্নিত মাদক কারবারিদের বাড়িতে এভাবে সাইনবোর্ড লাগানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ উদ্যোগ মাদক নির্মূলে সহায়তা করবে বলে তিনি আশা করেন।

ভোরের পত্র

এ জাতীয় আরো পড়ুন :

নেতা হতে চাইনা,গরীব দুঃখী মানুষের সেবক হয়ে কাজ করতে চাই,কবির খান।
নেতা হতে চাইনা,গরীব দুঃখী মানুষের সেবক হয়ে কাজ…
সংরক্ষিত নারী আসনে এমপিপ্রার্থী ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা জিয়া পরিষদের সদস্য সচিব,শামীমা আক্তার
সংরক্ষিত নারী আসনে এমপিপ্রার্থী ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা জিয়া পরিষদের…
তুরস্কে গ্যাস সিলিন্ডার লিকেজে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাবা-ছেলের মৃত্যু।
তুরস্কে গ্যাস সিলিন্ডার লিকেজে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাবা-ছেলের মৃত্যু।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ,…
জামালগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীতা ঘোষণা এম শহিদুল ইসলাম সরকারের।
জামালগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীতা…
বিজয়নগর উপজেলা বিএনপির দুঃসময়ের সংগ্রামীনেতা আলহাজ্ব আবদুল হক।
বিজয়নগর উপজেলা বিএনপির দুঃসময়ের সংগ্রামীনেতা আলহাজ্ব আবদুল হক।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় টানা ১৬তম বার শ্রেষ্ঠ সাব ইন্সপেক্টর নির্বাচিত,এসআই মাহবুবুল আলম।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় টানা ১৬তম বার শ্রেষ্ঠ সাব ইন্সপেক্টর নির্বাচিত,এসআই…
ধরাছোঁয়ার বাইরে এখনো শীর্ষ ইয়াবা কারবারি নেকবর আলী।
ধরাছোঁয়ার বাইরে এখনো শীর্ষ ইয়াবা কারবারি নেকবর আলী।