
স্টাফ রিপোর্ট :-মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বিজয়নগর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে দিবসটি উদযাপন করা হয়েছে। ১৬ ডিসেম্বর মঙ্গলবার ২০২৫, সারা দেশের ন্যায় বিজয়নগর উপজেলাতেও সূর্যোদয়ের সাথে সাথে শুরু হয় দিবসটির আনুষ্ঠানিকতা।
সকালে উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, বীর মুক্তিযোদ্ধা, রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ শহীদদের স্মরণে স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় উপজেলা বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, মহিলা দল, কৃষকদল, তাঁতীদল, জামায়াতে ইসলামী, হেফাজতে ইসলামসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
পরে বিজয়নগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাছিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয় বিজয় দিবসের বিশেষ “খুচকা আওয়াজ” অনুষ্ঠান। এতে উপস্থিত ছিলেন বিজয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে ফজলুল হক, কৃষিবিদ জিয়াউল হক, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট ইমাম হোসেন, জামায়াতে ইসলামীর সভাপতি মুহাম্মদ আবু ছায়েদ সরকার, বীর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার দবির আহমেদ ভূইয়া, বিজয়নগর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও বিআরডিবির চেয়ারম্যান,এইচ এম জহিরুল ইসলাম, বিআরডিবির ভাইস চেয়ারম্যান ছায়েদ খন্দকার, হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম সম্পাদক সিহাব ছিদ্দিকীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং উপজেলার বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষকবৃন্দ।
পুলিশ ও আনসার সদস্যদের পাশাপাশি উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো অনুষ্ঠানটি পরিণত হয় এক প্রাণবন্ত মিলনমেলায়। দেশপ্রেম, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও বিজয়ের আনন্দে মুখর হয়ে ওঠে পুরো অনুষ্ঠানস্থল।
অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনা করেন জেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও বর্তমানে বিজয়নগর পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক হাবিবুর রহমান পারভেজ। বিষয়টি নিয়ে বিজয়নগরবাসীর মধ্যে প্রশ্ন দেখা দেয়—কীভাবে একজন ছাত্রলীগের সাবেক নেতাকে দিয়ে মহান বিজয় দিবসের মতো রাষ্ট্রীয় কর্মসূচি সঞ্চালনা করানো হলো।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাছিবুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, হাবিবুর রহমান পারভেজ বর্তমানে বিজয়নগর পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং সেই পরিচয়েই তিনি অনুষ্ঠান পরিচালনা করেছেন।
এবিষয় নিয়ে বিজয়নগর উপজেলার রাজনীতি অঙ্গনে চলছে তুমুল আলোচনা ও সমালোচনা,উপজেলা প্রশাসনের এমন কাজে অসন্তোষ এলাকাবাসী। জনমনে প্রশ্ন কার স্বার্থ রক্ষার্থে এমন কাজ করল উপজেলা প্রশাসন। ব্রাক্ষণবাড়িয়া জেলা প্রশাসনের কাছে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবী করেছে এলাকা বাসী।
উপজেলা কৃষি অফিসার,কৃষিবিদ জিয়াউল হকের প্রস্তাবনায় এই ছাত্রলীগের নেতা ১৬ডিসেম্বর বিজয় দিবসের রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে উপস্থাপনার সুযোগ পায়,এই উপজেলায় চাকরিতে আসার পর হতে তারা দুজনের সুসম্পর্ক রয়েছে,এব্যাপারে জিয়াউল হক মিডিয়া কে জানান,তিনি অন্যকে বলেছে উপস্থাপনা করতে।