
এইচ,এম,জহিরুল ইসলাম:-
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর-বিজয়নগর) আসনের বর্তমান মাননীয় সংসদ সদস্য,জেলা বিএনপির সভাপতি,ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল। স্থানীয় রাজনীতিতে তিনি একজন অত্যন্ত সহজ-সরল, উদার এবং জনবান্ধব মানুষ হিসেবে পরিচিত। তবে সাম্প্রতিক সময়ে বিজয়নগরে একটি সামাজিক অনুষ্ঠানে,আওয়ামীলীগের বহিষ্কৃত নেতা এম এ অলি আহমেদের ছেলের বিবাহ অনুষ্ঠানে ওনার অংশগ্রহণ এবং সেখানে দাওয়াত গ্রহণকে কেন্দ্র করে ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে সৃষ্টি হয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।
অনুসন্ধানে এবং স্থানীয় সচেতন মহলের সাথে কথা বলে জানা গেছে, এই ঘটনার পেছনে এমপি মহোদয়ের নিজস্ব কোনো উদ্দেশ্য নয়, বরং ওনাকে ঘিরে থাকা একটি সুবিধাবাদী চক্রের ‘নিজস্ব ফায়দা’ হাসিলের চেষ্টায় কাজ করছে।
এমপি ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল সাহেব কোনো নবাগত নেতা নন। বিগত বছরগুলোতে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে ওনার বাড়ি-গাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের মতো অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। একাধিক মামলার আসামি হয়েও তিনি মাঠ ছাড়েননি। নিজে কারাবরণ ও হয়রানির শিকার হওয়া সত্ত্বেও তৃণমূল নেতাকর্মীদের জামিন করানো এবং তাদের খোঁজখবর রাখতেন। সাধারণ মানুষের এই আস্থার প্রতিদান হিসেবেই তিনি আজ সংসদ সদস্যের আসনে আসীন।
সম্প্রতি বিজয়নগরে একটি অনুষ্ঠানে এমপি মহোদয়ের যোগদান নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে নেতিবাচক আলোচনা চলছে, তার গভীরে গেলে দেখা যায় ভিন্ন চিত্র। অভিযোগ উঠেছে, একদল স্বার্থান্বেষী লোক ওনাকে ভুল বুঝিয়ে এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে বিতর্কিত পরিবেশে নিয়ে যাচ্ছে।
এমপি ইঞ্জিনিয়ার শ্যামল সাহেব স্বভাবজাতভাবেই অত্যন্ত বিনয়ী এবং দাওয়াত গ্রহণে কার্পণ্য করেন না। এই সরল সুযোগটিই নিচ্ছে কিছু কুচক্রী মহল।
নিজেদের ব্যবসায়িক বা সামাজিক আধিপত্য বিস্তারের লক্ষ্যে তারা এমপি মহোদয় কে ব্যবহার করছে।
ভুল জায়গায় নিয়ে গিয়ে ওনাকে বিতর্কিত করা হচ্ছে, যাতে জনগণের মাঝে ওনার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাধারণ জনগণ মনে করেন,এমপি ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল সাহেব এই জনপদের সম্পদ। তার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার ধ্বংস করতে একটি পক্ষ মরিয়া হয়ে কাজ করছে।
”তিনি একজন পরোপকারী ও ক্লিন ইমেজের মানুষ। তাকে ঘিরে থাকা চাটুকার ও সুবিধাবাদীদের চিহ্নিত করে তাদের থেকে দূরত্ব বজায় রাখলে তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উন্নায়নে অনন্য ভূমিকা রাখতে পারবে।
একজন সংসদ সদস্যের সামাজিক অনুষ্ঠানে যাওয়া স্বাভাবিক হলেও, তাকে নিয়ে যারা নোংরা খেলায় মেতেছে, তাদের রুখে দেওয়া এখন সময়ের দাবি। নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা, এমপি শ্যামল সাহেব আরও সতর্ক হবেন এবং যারা তাকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে, তাদের কঠোরভাবে প্রতিহত করবেন।