
মুরাদ মিয়া,সুনামগঞ্জ
তাহিরপুর উপজেলার বালিজুরি ইউনিয়ন শ্রমিকদল সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন কে হত্যার উদ্দেশ্যে পতিত সরকার আওয়ামীলীগ দোসর চাঁদাবাজ ইসমাইল হোসেন, ইউনিয়ন আওয়ামী নেতা( ৬০) শিমুল মিয়া, বালিজুরি ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক ( ২৮)হিমেল মিয়া, বালিজুরি ইউনিয়ন কৃষকলীগ আহব্বায়ক ( ৩০)তাবিউল ইসলাম ছাত্রলীগ সদস্য ( ২৩)মহিবুর রহমান ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি ( ৪০)সহ আরও ৫/৭ জন অতর্কিত হামলা চালানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে।
চাঁদাবাজদের হামলায় আহত মনির হোসেন কে গুরুতর অবস্থায় তাহিরপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
শুক্রবার সন্ধায় আনোয়ারপুর বাজারে এই হামলার ঘটনা ঘটে।
অভিযোগকারী কবির হোসেন বলেন, ইসমাইল হোসেন সহ তার সহযোগীরা আওয়ামী সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, ক্ষমতার দাপটে এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করে বেড়াত, তাদের ক্ষমতার দাপটে কেউ ভয়ে কথা বলতে পারতনা, তাদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে অনেকেই এলাকা ছেড়ে অন্যত্র পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। ৫ আগষ্টের পর হাসিনা সরকার পালিয়ে গেলেও তার দোসররা কিছু দিন গা ডাকা দিলেও এখন আবার মাথা চাড়া দিয়ে এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে।কিছুদিন মানুষ শান্তিতে ঘুমাতে পারলেও এখন আবার নতুন আতংকে আতংকিত। আমার ভাই একজন বালু পাথর ব্যাবসায়ী। সন্ত্রাসীরা আমার ভাইয়ের কাছে চাঁদা দাবি করলে আমরা বিষয়টি এলাকার গন্যমান্য মানুষকে অবগত করে রাখলেও সন্ত্রাসীরা তার পিছু ছাড়েনি। আজ আমার ভাই বাজারে গেলে চাঁদাবাজরা চাদা দাবি করলে বাকবিতন্ডা হয়। এক পর্যায়ে সন্ত্রাসীরা ধারালো অস্ত্র সহ রড এবং আধুনিক অশ্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপাতে থাকলে আমার ভাইয়ের চিৎকার শুনে আশে পাশের মানুষ এসে উদ্ধার করে আহত অবস্থায় তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।এরা শুধু সন্ত্রাসী আর চাঁদাবাজীতেই খান্ত থাকেনা, এরা যুব সমাজ কে নষ্ট করার জন্য মরনব্যাধী ইয়াবার রমরমা ব্যাবসা করে থাকে। আমার ভাই আজ আওয়ামী দোসরদের নির্যাতনের শিকার হয়ে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। আমরা এই সন্ত্রাসীদের কঠিন বিচার প্রার্থনা করছি।
তাহিরপুর থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ দেলোয়ার হোসেন বলেন,একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।