
আবদুল্লাহ আল হৃদয়ঃ-
প্রতিকূল স্রোতের বিপরীতে দাঁড়িয়েও আদর্শের প্রতি অবিচল থাকার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ডাঃ রফিকুল ইসলাম। বিগত দেড় দশকে বহুবার ক্ষমতাসীনদের রোষানলে পড়ে, অসংখ্য গায়েবি মামলার আসামি হয়ে এবং নানা ধরনের নির্যাতন-নিপীড়ন সহ্য করেও তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় রয়েছেন। তাঁর এই ত্যাগ স্থানীয় রাজনীতিতে তাকে এক অনন্য পরিচিতি দিয়েছে।
ডাঃ রফিকুল ইসলাম বিজয়নগর উপজেলার চান্দুরা ইউনিয়নের জালালপুর আনন্দ গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের সন্তান। তাঁর পিতা মরহুম আবদুল হাসিম ছিলেন এলাকার একজন সম্মানিত ব্যক্তি। পারিবারিক ঐতিহ্য ও ব্যক্তিগত আদর্শবোধ থেকে ডাঃ রফিকুল ইসলাম ছাত্রজীবনেই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন। সময়ের পরিক্রমায় তিনি ছাত্রদল, যুবদলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করে রাজনীতিতে নিজের স্থান পোক্ত করেন।
রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে তিনি ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ে বিএনপির বিভিন্ন পদ অলংকৃত করেছেন। বিশেষ করে বিজয়নগর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে তিনি সংগঠনকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট যখন বিএনপির জন্য প্রতিকূল ছিল, তখনো ডাঃ রফিকুল ইসলামকে এক মুহূর্তের জন্যও মাঠ ছাড়তে দেখা যায়নি। তাঁর বিরুদ্ধে একের পর এক গায়েবি মামলা দায়ের করা হলেও তিনি দমে যাননি। কেন্দ্রীয় বিএনপি ঘোষিত প্রতিটি কর্মসূচি, ঢাকা, কুমিল্লা কিংবা জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে, তিনি জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দলী কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেছেন। দলের প্রতি তাঁর এই অবিচল আনুগত্য ও ত্যাগ তৃণমূল নেতাকর্মীদের জন্য এক বড় অনুপ্রেরণা।
স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানান, “ডাক্তার রফিক ভাইয়ের মতো নেতারা আছেন বলেই আমরা দুঃসময়েও মনোবল হারাইনি। তিনি শুধু একজন নেতা নন, তিনি আমাদের অভিভাবক ও অনুপ্রেরণার উৎস।”
ব্যক্তিগত ত্যাগ স্বীকার করে, জেল-জুলুম ও মামলার ভয়কে উপেক্ষা করে দলের জন্য কাজ করে যাওয়া ডাক্তার রফিকুল ইসলামকে বিজয়নগর উপজেলা বিএনপির একজন পরীক্ষিত ও ত্যাগী নেতা হিসেবেই গণ্য করা হয়। তাঁর মতো নেতাদের কারণেই তৃণমূল পর্যায়ে বিএনপি এখনো একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে টিকে আছে বলে মনে করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তিনি বলেন আমি বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ বুকে ধারন করে, দেশনেত্রী আপোষহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ও তারুণ্যের অহংকার তারেক রহমানের রাজনীতিতে বিশ্বাসী। যত দিন দেহে আছে প্রাণ তত দিন দিয়ে যাব বিএনপির স্লোগান।